• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫৬ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
নীলফামারীতে তিন দিনের ইজতেমা শুরু ভোটের দিনে লিফলেট বিতরণের দায়ে জামায়াত নেতার অর্থদন্ড নীলসাগর ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ বিশ্ব স্ট্রোক দিবস: স্ট্রোকের ঝুঁকি, রিহ্যাবের সংকট ও পুনর্বাসনে সচেতনতার আহ্বান তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার হত্যা মামলায় মাগুরার সাবেক ওসি ও এসআই জেলহাজতে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার রানীরবন্দরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ব্যবসায়ী নিহত “ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী”

শিক্ষক নেই, ক্লাস নিলেন মন্ত্রী!

সিসি নিউজ: ঘড়ির কাঁটা বেলা ১২টা ছুঁই ছুঁই। কিন্তু স্কুলে হাজির নেই কোনো শিক্ষক। তাদের অপেক্ষায় রয়েছে শিক্ষার্থীরা। শেষ পর্যন্ত ক্লাস নিতে শুরু করে দিলেন স্বয়ং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার এমপি! ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার (২৩ মার্চ) দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার মহেশপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।

মন্ত্রীর সফরসঙ্গী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুশফিকুর রহমান বাবুল বলেন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার বৃহস্পতিবার একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশ নিতে যাচ্ছিলেন। ফুলবাড়ী থেকে অনুষ্ঠানস্থলে যাওয়ার পথে মহেশপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে শিক্ষার্থীদের ভিড় দেখে গাড়ি থামিয়ে বিদ্যালয়ে যান মন্ত্রী।

তখন ঘড়ির কাটায় ১১টা ৪০মিনিট, কোন শিক্ষক বিদ্যালয়ে উপস্থিত হননি, ক্লাসরুমগুলা বন্ধ। শিক্ষকের আগমনের অপেক্ষায় আছে শিক্ষার্থীরা। এই দৃশ্য দেখে মন্ত্রী উপজেলা ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা কর্মকর্তা মাহাতাবুর রহমানকে ফোন করেন।

তিনি আরও জানান, শিক্ষা কর্মকর্তা মাহাতাবুর রহমানকে ফোন করার ১০মিনিট পর ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মমিনুল ইসলাম বিদ্যালয়ে উপস্থিত হন। তখনো অনুপুস্থিত দুই সহকারি শিক্ষক সাইদুর রহমান ও রেজাউল ইসলাম। এসময় মন্ত্রী প্রধান শিক্ষককে ভর্ৎসনা দিয়ে নিজেই শিক্ষার্থীদের নিয়ে শ্রেণি কক্ষে প্রবেশ করেন এবং একটি ক্লাস নেন।

এ বিষয়ে উপজেলা ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা কর্মকর্তা মাহাতাবুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। শিক্ষা কর্মকর্তা বলেন, ওই শিক্ষকদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে ঘটনার পর থেকেই ওই বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মমিনুলের ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

এদিকে মহেশপুর গ্রামের বাসিন্দারা জানান, মহেশপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কর্মরত শিক্ষকেরা তাদের খেয়াল খুশিমত বিদ্যালয়ে আসেন ও যান। বেলা ১১ টা থেকে ১২টায় তারা বিদ্যালয়ে আসেন। আবার বেলা দু’টা বাজলেই চলে যান। এতে শিক্ষার মান একেবারে নিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। তাই এলাকাবাসীও শিক্ষকদের শাস্তি চান।

দ্যা রিপোর্ট


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ